হযরত তালহা ইবনে ওবায়দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, হযরত ওমর (রাঃ)এর নিকট কিছু মাল আসিল। তিনি উহা মুসলমানদের মধ্যে বন্টন করার পর কিছু অবশিষ্ট রহিয়া গেল। তিনি এই ব্যাপারে পরামর্শ চাহিলেন। লােকেরা বলিল, আপনি যদি উহা ভবিষ্যতের কোন প্রয়ােজনের জন্য জমা করিয়া রাখেন তবে ভাল হয়। হযরত আলী (রাঃ) নিন্দুপ ছিলেন। কিছুই বলেন নাই।

হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, হে আবুল হাসান ! কি হইল, আপনি কিছু বলিতেছেন না? হযরত আলী (রাঃ) বলিলেন, লােকেরা তাে নিজেদের রায় বলিয়া দিয়াছে। হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, না, আপনাকেও বলিতে হইবে। হযরত আলী (রাঃ) বলিলেন, আল্লাহ তায়ালা (কোরআন শরীফে) মাল খরচের স্থানসমূহ বলিয়া দিয়াছেন এবং) এই মাল বন্টন করিয়া অবসর হইয়া গিয়াছেন। (অতএব এই অবশিষ্ট মাল ও আপনাকে নির্দেশিত স্থানে খরচ করিতে হইবে। অতঃপর হযরত আলী (রাঃ)

এই ঘটনা বর্ণনা করিলেন যে, একবার নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট বাহরাইন হইতে কিছু মাল আসিয়াছিল। তিনি সেই মাল বটন করিয়া শেষ করার পূর্বেই রাত হইয়া গেল। (সুতরাং তিনি সেই রাত্র মসজিদেই কাটাইলেন এবং) সারাদিন মসজিদে থাকিয়াই নামায পড়াইলেন। (অর্থাৎ সারাদিন মসজিদে বসিয়া সেই মাল বন্টন করিতে থাকিলেন, ঘরে গেলেন না।) যতক্ষণ না তিনি সেই মাল বন্টন করিয়া শেষ করিয়াছেন ততক্ষণ আমি তাহার চেহারা মােবারকে চিন্তা ও পেরেশানীর ভাব লক্ষ্য করিয়াছি। হযরত ওমর (রাঃ) বলিলেন, তবে তাে এই অবশিষ্ট মাল আপনাকেই বন্টন করিয়া দিতে হইবে। সুতরাং হযরত আলী (রাঃ) উহা বন্টন করিয়া দিলেন। হযরত তালহা (রাঃ) বলেন, আমি সেই মাল হইতে আটশত দেরহাম পাইয়াছি।